রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,
১৩ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি, রাত ১২:১৮

সিদ্ধিরগঞ্জে কাউন্সিলর প্রার্থী শাহজালাল বাদলের নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা ভাংচুর কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত – ১০

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জ সিটিকরপোরেশনের ৩ নং ওয়ার্ডের সিদ্ধিরগঞ্জের নয়াআটি মুক্তিনগরের বাসিন্দা শাহজালাল বাদল নামে এক কাউন্সিলর প্রার্থীর ঠেলাগাড়ি প্রতীকের নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এ সময় তারা ক্যাম্পে ব্যাপক ভাংচুর চালায় এবং ক্যাম্পে থাকা কাউন্সিলর প্রার্থীর কর্মীদের কুপিয়ে ও পিটিয়ে কমপক্ষে ১০ জনকে আহত করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর। গুরুতর আহতদের মধ্যে আনোয়ার হোসেন আনু(৪৫), মোর্শেদা ওরফে মশু ( ৩৫), শাওন(১৮), শাহআলম (৪৫), বিল­াল হোসেন(৩৫,কে নারায়ণগঞ্জ ও স্থানীয় হাসপতালে পাঠানো হয়েছে। হামলাকারীরা একই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আলমগীর হোসেনের লালিত ক্যাডার বলে অভিযোগ করেন ঠেলাগাড়ি প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থী ও সাবেক কাউন্সিলর শাহজালাল বাদল। লিটন গ্র“প ও হিরনও জবুসহ ১০-১৫ জনের একটি দল গতকাল বিকেলে কাউন্সিলর প্রার্থী শাহজালাল বাদলের কর্মী আনেয়ার হোসেন আনুকে কুপিয়ে আহত করে পরে সন্ধ্যার পরে ওই একই গ্র“প নয়াআটি মুক্তিনগরে কাউন্সিলর প্রার্থী বাদলের নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে এবং ক্যাম্পে থাকা কর্মীদের কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন। এদিকে লাঠিম প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থী আলমগীর হোসেন বলেন, তার প্রতিপক্ষ কাউন্সিলর প্রার্থীর লোকজন আমার লোককদের পোষ্টার লাগাতে বাঁধা প্রদান করছে এবং হামলা ও মারধর করে আমার শাশুড়ী শহরাজ বেগম,মাসুমসহ ৫-৬ জনকে আহত করেছে। তিনি এঘটনা নারায়ণগঞ্জ নির্বাচন কমিশনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিকে জানিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আলম বলেন, আলমগীর তার ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে কাউন্সিলর প্রার্থী শাহজালাল বাদলের জনপ্রিয়তায় ঈষান্বিত হয়ে ক্যাম্পে হামলা ও তার কর্মীদের আঘাত করে গুরতর আহত করেছে এমনকি আমাকেও ফোন করে হুমকি দিয়েছে। এদিকে অপর কাউন্সিলর প্রার্থী শাহজলাল বাদল অপর কাউন্সিলর প্রার্থী আলমগীরের অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে বলেন, আমি কিংবা আমার কোন কর্মী সমর্থক কারো নির্বাচনী কাজে বাঁধা প্রদানের প্রশ্নই উঠেনা, আমার জনপ্রিয়তা দেখে আলমগীর ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে আমার নির্বাচনী ক্যাম্প ভাংচুর করে আমার বেশ কয়েকজন কর্মীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে। এ ঘটনা তিনি নারায়ণগঞ্জ সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশকে অবগত করেছেন বলে জানিয়েছেন এবং এ টনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন শাহজালাল বাদল।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোঃ মশিউর রহমান বলেন, কাউন্সিলর প্রার্থী শাহজালাল বাদল অপর কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ আলমগীর গংদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী ক্যাম্প ভাংচুর হামলা ও মারধরের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে, ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো বলে ওসি জানিয়েছেন।

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন

এই বিভাগের আরও খবর


ফেসবুকে আমরা